জিএম কাদের-বোরহান উদ্দিন মিঠুর ফোনালাপ, সর্বোচ্চ সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি জিএম কাদেরের

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয় থেকে ২২ ফেব্রুয়ারী প্রজ্ঞাপন জারি হবার মাধমে আনুষ্ঠানিকভাবে লক্ষীপুর-২ আসন তথা রায়পুর সংসদীয় আসন শূন্য ঘোষিত হয়। আর প্রজ্ঞাপন জারী হবার পরপরই সম্ভাব্য প্রার্থীদের প্রচারনা শুরু হয়ে যায়। রায়পুর আসনের আগামীর অভিভাবক কে হবেন তা নিয়ে চায়ের কাপে ঝড় উঠা শুরু হয়েছে। এদিকে নির্বাচনের মাঠে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারনায় এগিয়ে রয়েছেন বিশিষ্ট শিল্পপতি, রয়্যাল গ্রুফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বিশিষ্ট সমাজসেবক, রায়পুরের কৃতিসন্তান, জাতীয় পার্টির নোয়াখালী জেলা সাধারন সম্পাদক বোরহান উদ্দিন আহমেদ মিঠু। 

এদিকে মিঠুকে ফোন কলে মাঠে প্রচারনা চালিয়ে যাওয়ার ও জাতীয় পার্টিকে সাংগঠনিকভাবে ঔক্যবদ্ধ করার আহবান জানান জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। ২২ ফেব্রæয়ারী সোমবার সন্ধ্যায় এক ব্যক্তিগত ফোনালাপে জিএম কাদের এ আহবান জানান।

আলাপচারিতায় জিএম কাদের বলেন, “অতীতের যেকোন সময়ের তুলনায় জাতীয় পার্টি এখন বেশি শক্তিশালী। কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যায়ের জাতীয় পার্টির নেতা কর্মীরা সাংগঠনিক ভাবে ঔক্যবদ্ধ। লক্ষীপুর-২ আসনের উপ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি এবার নির্বাচন করবে। ”

আলাপচারিতার এক পর্যায়ে লক্ষীপুর-২ আসনে জাতীয় পার্টির সম্ভাব্য প্রার্থী বোরহান উদ্দিন আহমেদ মিঠুকে পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেন, তৃণমূলের দক্ষ সংগঠক হিসেবে আপনাকে দল সময় উপযোগি মূল্যায়ন করবে। আপনি মাঠ পর্যায়ে আপনার কার্যক্রমের গতি বেগবান করেন।

উল্যেক্ষ, বোরহান উদ্দিন আহমেদ মিঠু ১৯৮৩ সালে নতুন বাংলা ছাত্র সমাজের মাধ্যমে রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। ১৯৮৬ সালে জাতীয় পার্টির সহযোগী সংগঠন জাতীয় ছাত্রসমাজের রাজনীতির মাধ্যমে জাতীয় পার্টির রাজনীতি শুরু করেন।একই বছর নোয়াখালী সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ  ছাত্র সংসদ নির্বাচনে জাতীয় ছাত্র সমাজের প্রার্থী হয়ে ভিপি নির্বাচন করেন।ছাত্রাবস্থায় তিনি তুখোড় ছাত্রনেতা ছিলেন। রাজপথে আন্দোলন, নানান ঘাত-প্রতিঘাত অতিক্রম করে তিনি বর্তমান নোয়াখালী জেলা জাতীয় পার্টির সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন এবং লক্ষীপুর- রায়পুর জেলার পার্টির বিভিন্ন কার্যক্রমে দীর্ঘদিন যাবত অংশগ্রহণ করে আসছেন।

পাঠকের মন্তব্য